অর্পিতা ১৩

সঞ্জয় কুমার ৩ জুলাই ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ১২:২৪:৩৮পূর্বাহ্ন গল্প ১৫ মন্তব্য

অর্পিতা রোড একসিডেন্ট করেছে । তুই দ্রুত যশোর সদরে চলে আয় ।

আমি এখনই আসছি ।

আধা ঘন্টা পর........

মিলন অর্পিতা কই ?

ইমারজেন্সিতে আছে ডাক্তার বলছিলেন রক্ত লাগতে পারে ।

যত রক্ত লাগে আমি দেব ।

তোর রক্তের গ্রুপ আর ওর টা পরিক্ষা না করলে বোঝা যাবে না যে তুই রক্ত দিতে পারবি কি না ।

কোন পরিক্ষা লাগবে না । ডাক্তারকে বল যত রক্ত লাগে যেন আমার দেহ থেকে নেয় । আমার জন্যই আজ ওর এই অবস্থা আমি আসতে না বললে এই দূর্ঘটনা আজ ঘটত না । সব কিছুর জন্য আমিই দায়ী ।

তুই অযথাই নিজেকে দোষী ভাবছিস । দূর্ঘটনার কথা আগে কেউ জানতে পারে না ।

তারপরও ওর যদি কিছু হয়ে যায় আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারব না ।

এখন শান্ত হ আগে ওকে সুস্থ করতে হবে ।

অর্পিতার বাড়ি থেকে কেউ এসেছে ?

রাজু এসেছে মাসিমাকে জানানো হয়নি ।

এসব কখন ঘটল তুই খবর পেলি কিভাবে ?

তোকে বাসে উঠায়ে দিয়ে হোষ্টেলে ফিরছি । এমন সময় অর্পিতার ফোন আমাকে একটু অপেক্ষা করতে বলল মায়ের জন্য ঔষধ কিনবে ।

ঔষধ কেনার পর আমি হোষ্টেলে সবে মাত্র পৌছে ছি । এমন সময় একটা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসল একজন মেয়ে রাস্তায় একসিডেন্ট করছে উনার ফোনের শেষ ডায়াল লিষ্টে আপনার নম্বর পেয়ে আমরা আপনাকে ফোন দিয়েছি আপনি যত দ্রুত সম্ভব চলে আসুন ।

এরপর আমি প্রথমে তোকে তারপর রাজুকে ফোন দিলাম ।

ঐ তো রাজু চলে এসেছে ।

দাদা দিদি কোথায় ? ইমার্জেন্সিতে আছে চিন্তা করো না সব ঠিক হয়ে যাবে ।

ইমার্জেন্সি থেকে ডাক্তার বের হলেন

চলবে...........

0 Shares

১৫টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ