অঝোর-বৃষ্টি শুয়ে আছে গা-এলিয়ে দীঘল-চুলে, মৃদু হেসে,
বৃষ্টি চাঁদরে গা মুড়িয়ে, মেঘেদের ঘন আস্তরণে;

আমি আজ কোথাও যাব না/যাচ্ছি না, আমাকে ছেড়ে;

কেউ যদি আজ বলত, এখন এই মুহূর্ত থেকে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে একটি করে কবিতা/কোবতে লিখে দিতে হবে, তা কবিতা বা কোবতে যাই হোক না কেন, লিখে দিলেই হবে না শুধু, পড়েও শোনাতে হবে টেনেটেনে, শুধু শোনালেই হবে না, বুঝিয়েও দিতে হবে হরেক রকম করে!যত্ন-আত্তি করে অনেক;

ময়ূর-ডানায় চোখ রাখা যাবে না,
বৃষ্টি-নামা চোখে চোখ ও না
তারার আকাশ, সফেদ জ্যোৎস্না! তা-ও না,
কবিতা নাম্নী উজ্জ্বলন্ত চোখ উপেক্ষা করা চলবে
মুখ ভ্যাংচানো জারি থাকবে;

চিড়ল-দাঁতে নখ কাটতে কাটতে প্রবল-বিষণ্ণ-উপেক্ষার ভান করে
নিঃশ্বাস দূরত্বে থেকে আমাকে পড়ে ফেলবে,
পর্দানিশী ছলনা-পারদর্শী, নখরের হিংস্র শত্রু-স্বভাব এড়িয়ে!!

এই-যে হুট করে আসা, গুট-গুট করে ডুবে যাওয়া,
নিয়ম-ও-অ-নিয়ম টপকে হাওয়া হয়ে হওয়ায়-ও মিলিয়ে যাওয়া,
সব-ই-হয়, অজুহাতের গা-বেয়ে, বেড়া-গলে, অসুস্থ-সুস্থতাতে,
মন্দ লাগে-না, বেলা-অবেলায়, একরাশ-একাকার বৃষ্টিতে!!

৩৫১জন ৩৫১জন
0 Shares

১৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ