খাস ভূমিতে নাঙ্গল ফেলেছে সবে কৃষাণ,
আরো গভীরে গুপ্তধন।
তপ্ত দুপুরের ঘর্মাক্ত শরীর দেখেছ ক্ষেতের,
দেওয়া হয়নি আত্মপরিচয়, জানোনিকো নামধাম!
ছুঁতে পারোনি আজো আলতো করে,
কোমলতায়  লুকানো পুতুলের মখমলি পশম!
নার্সিসাস দ্রোহে দূরত্বের পরিধি বাড়িয়েছে মরুঝড়,
অলিন্দে ফোয়ারা বয় সবুজের শীর্ষে সোনালী হাসির!
চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে যাওয়া টাইটানের অনাচারের মুখে;
ভালোবাসার স্বকীয় পৃথিবীতে তুমিই সেই প্রমিথিউস!
জেনেছি মৃগনাভ কস্তুরির স্বর্গীয় ঘ্রাণ শুঁকে,
নিভে যাওয়া আগুন জ্বেলেছ পুনরায় বুকে!
এদিকে আজীবন অপেক্ষায় এক তৃষ্ণার্ত চাতক,
তার বুকের চাতালে বাস করে মরুর বেদুঈন যুবক ;
বৃষ্টিই তাদের একমাত্র যুগল শোক!
রাতের দেয়ালে আঁকছে বুঝি সে নিকোটিনের প্রলেপ?
অথচ গাঙ্গপারে আবেগের ঢেউ জেট বিমানে ছোটে,
অপেক্ষায় অধীর হয় একজোড়া প্রকম্পিত নরম ঠোঁট!
অরন্যের ভাঁজে হোমানল জ্বলছে, লাভা ছড়িয়েছে,
এটুকু পেরুতে পারলেই তারা চিবুকের খুব কাছে।
অপেক্ষার নাম এক নির্মাণাধীন সুদীর্ঘ উড়ালসেতু ,
নিরবতার কংক্রিটে যার ভিত নির্মিত।
মোনালিসার ভঙ্গির রহস্য খুঁজে পায়নি দর্শক,
তবুওতো দেয়ালে টানিয়ে রাখে ভালোলাগা পোর্টেট!

২২৯জন ৩৬জন
0 Shares

১১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ