সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

অচ্ছুৎ ভালোবাসা

হিমেল কবি(সাহিত্য সন্তান) ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, রবিবার, ০৯:০২:৩৬অপরাহ্ন সাহিত্য ১৩ মন্তব্য

আমাকে দেখলে  তোমার অধঁর  কাঁপে

থঁর থঁর করে উরুসন্ধি,জিওভার জল;

নাসিকা-গ্রীবা হতে পায়ের পাতা অবধি

তোমার চোখের পাতায় একমুঠো জল।

ভিখারি নই ভিখারিনীও নই অন্য কেউ;

স্বর্গ ও নরকের ঠিক মাঝামাঝি থেকে

পাপ-পুণ্যের হিসেবে খুব কৃপণ আমি,

মন্দিরে মন্দিরে ঘুরেছি পূজোর থালা হাতে

কখনো মন্দির-বেদি ভেঙেছি এই হাতে।

 

 

আমি শ্রমিক নই,প্রেমিক ও নই অন্য কেউ;

কারুকার্য খঁচিত বেদনাবহুল স্ফুলিঙ্গ,

তৈলচিত্র,কোনো পৌরাণিকরম্য হতে আসিনি

আমি দুই যুগ হাসি নি দুই যুগ কাঁদিনি

ভালোবাসা পেতে অচ্ছুৎ হয়ে আছি।

যুগ্ন দেবী ও দেবতার নাম ভালোবাসা?

যুগ্ন মানব-মানবী’র নাম ভালোবাসা?

হলুদ চা,নীল কস্তুরী চাঁদ ও ডাহুকের ছা

‘র’ এবং রেফ্ এর মধ্যে ভালোবাসা

ভালোবাসা লাল-সবুজের উদ্যত পতাকা।

 

 

বুক বরাবর গ্রেনেড পোঁতা মাইনে পা

শুকুনের লাল চোখ’কে উপেক্ষা করে

স্বাধিনতা!স্বাধিনতা! বলে আর্তনাদ

এক নিঃশ্বাসে হাজার বার ‘জয় বাংলা’

এই আমার ভালোবাসা ।ভালোবেসে;

সোনালি হাঁস,শীতের পরীযায়ি পাখি

ওরা গান শোনাবে আমার দুঃখিনী মাকে।

তারপ’রে একদিন টলমলে শিশিরের ভিড়ে

বসন্তের বেলাতটে রোদ খেলে খেলে …

কখোন উ’বে যাবে চোখের কোটরে

ভালোবাসা যুগে যুগে জেগে থাকা ঘুমের ভেতরে।

৩০৯জন ২০৫জন
6 Shares

১৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য