মৌনতা রিতু

মৌনতা রিতু

সোজাসাপটা কথা বলা, প্রাণচঞ্চল একটা মানুষ। অনেক আশা,স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকতে ভালোবাসি।

মৌন শব্দ

 লিখেছেন on জুন ১২, ২০১৭ at ১২:১২ অপরাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ২২ Responses &#১৮৭;
জুন ১২২০১৭
 

জীবন চলার পথে ধ্বংসলীলার মতো যে সময়গুলো পাশ কাটিয়ে যায়, ছুঁয়ে যায় ভেঙে দিয়ে যায় সবকিছু। আমার চোখের অতলস্পর্শ গভীরতায় সে সব দৃশ্যপট ভাষাহীন বাণীর মতো স্তব্ধ হয়ে থাকে, যেন এক নিথর সায়র। আমি যেন শ্মশানের বুকে জ্বলে থাকা কম্পিত ঐ মৃৎ প্রদীপের মতো। হঠাৎ ঝড়ের মাতামাতিতেও নিভু নিভু করেও জ্বলতে থাকি। ,,,,,,,,মৌনতা,,,,,,,, ১২/৬/১৭. প্রিয়তে [বিস্তারিত]

জুন ১০২০১৭
 
ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-৩

নৃতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্তিক প্রমাণের সাহায্যে সিন্ধু সভ্যতার স্রষ্টাদের সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করা হয়েছে। তাত্ত্বিকেরা চারটি মানব গোষ্ঠীর পরিচয় পেয়েছে মহেন্জোদারো ও হরপ্পার নরকঙ্কাল থেকে। যেমনঃ প্রোটো, অষ্ট্রালয়েড, ভূমধ্যসাগরীয়, আলপাইন ও মঙ্গোলীয়। তবে কোন গোষ্ঠী এই সভ্যতা সৃষ্টি করেছিল বলা মুশকিল। প্রত্নতাত্তিক প্রমাণ অর্থাৎ মনুষ্যাকৃতির পুতুলগুলোর গঠন পরীক্ষা করে মনে করা হয় এখানে অনেক জাতিই বাস [বিস্তারিত]

মৌনতা

 লিখেছেন on জুন ৯, ২০১৭ at ৬:৩৭ অপরাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ১৬ Responses &#১৮৭;
জুন ০৯২০১৭
 
মৌনতা

মৌনতা। আজ কোথাও বসন্ত সেজেছে, পূর্ণ উদ্যোমে জ্যোৎস্না প্লাবিত নীলমণি লতায় ছেয়ে যাওয়া ঐ হ্যালারবাস অরণ্যের মতো ফুরিয়েছে এ বেলার সব রুক্ষতা। শিশিরে ভিজে সজীবতায় ফিরেছে নতুন নতুন সব স্বপ্ন। গানের সব সুরও আজ সোজা পথে আমার এক চিলতে আকাশ, দিনক্ষণ না মিলিয়ে কেঁদে ওঠে মেঘের পরশে। অনন্তকাল ধরে গোপনে যে আবেগ ছিল শিকল পরানো, [বিস্তারিত]

জুন ০৮২০১৭
 
ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-২

ভারতবর্ষের সব থেকে প্রাচীনতম সাহিত্য হলো ‘বেদ’। এর মধ্যে ঋকবেদ হল সর্বাপেক্ষা প্রাচীন।ঋকবেদ থেকে জানা যায় আর্য জাতীর ভারতে আসার আগমন সম্পর্কে। তাদের জীবন যাত্রা সম্পর্কেও বেদ থেকে জানা যায়। আমরা ইতিহাসে দেখেছি যে, প্রত্নতত্ববিদরা বিভিন্ন সময়ে মাটির নীচে অনেক নগর আবিষ্কার করেছেন। ভারতবর্ষেও প্রাচীন সৌধ, স্মৃতি ও নগরের ধ্বংসাবশেষ থেকে বিভিন্ন যুগের সভ্যতা ও [বিস্তারিত]

জুন ০১২০১৭
 
ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-১

ইতিহাসের বিষয়বস্তু হলো মানুষ, তার সমাজ, সভ্যতা ও জীবনধারা। ইতিহাস কেবলমাত্র কিছু ঘটনার সমষ্টি নয়।ঘটনার অন্তরালে যে তথ্য আছে তাকে উদ্ঘাটন করা হলো ইতিহাস রচয়িতার দায়িত্ব। যুগ – যুগান্তর থেকে মানুষ তার পরিবেশের সঙ্গে সংগ্রাম করে এগিয়ে চলেছে। একসময় মানুষ ছিল গুহাবাসী। সভ্যতার সর্বনিন্ম স্তরে ছিল তার অধিষ্ঠান। সেই মানুষ তার বুদ্ধি দিয়ে প্রকৃতি এ [বিস্তারিত]

অচিন গাছ।

 লিখেছেন on মে ২২, ২০১৭ at ৯:৪২ অপরাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ২০ Responses &#১৮৭;
মে ২২২০১৭
 
অচিন গাছ।

ইতিহাস ও প্রাচীন সব জিনিস আমার খুবই প্রিয়। এক কথায় এসব প্রাচীন সব কিছুতেই আমার দুর্বলতা । আর তার সাথে যদি জড়িয়ে থাকে অলৌকিক কিছু তবে তা খুবই ভাল লাগে। বর্তমানে বরের পোষ্টিং সূত্রে কুড়িগ্রামে আছি। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থানার টগরাইহাঁট জয়দেব হায়াৎ নামক স্থানে এই গাছটি আছে। এই গাছটি কবে থেকে এখানে আছে তা [বিস্তারিত]

মৌনের ঘাসবুক সমগ্র।

 লিখেছেন on মে ১৮, ২০১৭ at ৭:৫২ পূর্বাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ২০ Responses &#১৮৭;
মে ১৮২০১৭
 

‘নিজেকে করি কখনো আমি সর্ব আবেগ-মুক্ত, কখনো বা জীবনকে ডুবাই পূর্ণ আবেগে ব্যাকুল চিত্তে, জীবনের বিচিত্ররূপে ভেবেই পাই না, কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক। সে সব পূর্ণ আবেগে, তোমাকে সাজাই, তোমাকে গড়ি তোমার ঝড়ো শব্দেই তোমাকে ভাঙ্গি, সরল বাঁকা উভয় পথে হাঁটি। এক আজল জলের আবেগ তোমার বিন্দু বিন্দু খসে পড়ে, তোমার সরল পথে ধোয়াসা সে [বিস্তারিত]

মে ০৮২০১৭
 

আমি আগেই বলেছি নারী ক্রীতদাসদের যৌন দাসী হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। এখানে মালিকরা তার নারী ক্রীতদাসদের সাথে তাদের ইচ্ছেমতো যৌন সম্পর্ক তৈরি করতো। সাদা চামড়ার পিতা ও কালো চামড়ার ক্রীতদাস মায়ের সন্তানরাই মিশ্র জাতির সন্তান। এরা মুলাট্টু নামে পরিচিত। ১৮৫০ সালের আদমশুমারীর তথ্যমতে আমেরিকাতে ২৪৫০০০ জন মালট্টু ছিলেন, যা ১৮৬০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪১১,০০০ জনে [বিস্তারিত]

আধখানি চাঁদের বনে।

 লিখেছেন on মে ৫, ২০১৭ at ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ১৬ Responses &#১৮৭;
মে ০৫২০১৭
 

আজ এ পথে পিছনের যতোশতো নিঃসঙ্গ মুহুর্তের বিচিত্র ছবিগুলো ভেসে উঠছে তন্ময় হয়ে বসে ভাবছি, সেই সব অনাবিষ্কৃত গভীরতায় আমি তখন ঢুকে দেখিনি, আজ এক্ষণে, দেখছি তাকে, শিখছি তাকে। অধরা সে সময়গুলো আমার, যা মুহূর্তের মধ্যে পালিয় গেছে তা সে আমার চোখের কোনে উজ্জল মুক্তো। সেই অনাবিল দৃষ্টিটুকু খুঁজি এখন। আজ রাতের এ বাঁকা আধখানি [বিস্তারিত]

মে ০৩২০১৭
 

ক্রীতদাস প্রথা একসময় ধীরে ধীরে লোপ পেতে থাকে। অর্থাৎ আইন করে বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশ আসে। ক্রীতদাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর বৃটেন ও আমেরিকা অন্তমহাদেশীয় ক্রীতদাস পরিবহন বন্ধে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। তাদের চাপেই ১৮২২ সালে ওমানি আরবরা মর্সবি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যেখানে কোনো খ্রিস্টান শক্তির নিকট ক্রীতদাস বিক্রয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এই চুক্তি [বিস্তারিত]

মে ০২২০১৭
 
ক্রীতদাস প্রথা এক নির্মম ইতিহাস পর্ব-৭.

ক্রীতদাস শাস্তিঃ বেঁধে চাবুক মারা ক্রীতদাস শাস্তি দেওয়ার সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি ছিল চাবুক দিয়ে মারা। ক্রীতদাস প্রভু তার বাড়ির আঙ্গিনায় একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতেন এতে ক্রীতদাসদের বেঁধে চাবুক মারা হতো। যাতে করে চাবুক মারা সময় নড়াচড়া করতে না পারে। ক্রীতদাস নারী কি পুরুষ উভয়ের বেলাতেই উলঙ্গ করে তাকে চাবুক মারা হতো। আর অন্য ক্রীতদাসদের সম্মুখেই [বিস্তারিত]

এপ্রিল ২৮২০১৭
 

চোরেরও জাতিভেদ আছে। কে কুলিন আর কে   হরিজন, তা নির্ভর করে চুরি করা দ্রব্যের উপর।যেমনঃ লুটি তো ভাণ্ডার যারা, তারা সম্ভ্রান্ত উঁচু শ্রেণীর আর যারা পেটের দায়ে সামান্য চুরি করে এবং যাদের পিছনে কোনো নেতা থাকে না তারা হয় ছিঁচকে চোর, এবং তারা এই তথাকথিত সভ্য সমাজের জন্য উপহাস ও নির্মমতার স্বীকার হয়। যেমন [বিস্তারিত]

এপ্রিল ২২২০১৭
 

গতকাল ছোট বাবার স্কুলে বসে থাকতে গিয়ে পুলিশ লাইনের সামনে এক মরা গাছ ও গাছের উপর এসে পড়া এক টুকরো মেঘ দেখে মনে এলো, কতো কতো এলোমেলো কথা। শুরু হলো আমার মনের দ্বৈত সত্ত্বার কথোপকথন। ‘প্রকৃতি এক ধরনের শৃঙ্খলা মানে, কিন্তু শৃঙ্খল মানে না। প্রকৃতির এই শৃঙ্খলাকে আমরা প্রকৃতির এক একটা ধাপ হিসেবেই দেখি, এই [বিস্তারিত]

গৃহিনীর সংসার

 লিখেছেন on এপ্রিল ২১, ২০১৭ at ৬:৫২ পূর্বাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ২২ Responses &#১৮৭;
এপ্রিল ২১২০১৭
 

নারীর জন্ম জীবনটা একটা বৃত্তের মধ্যে থাকে। সে বৃত্তটা ধরলাম রাবারের। সে বৃত্তে থাকে বাবা-মা, ভাইবোন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সে বৃত্তটাও বাড়তে থাকে। আর তা বাড়তে বাড়তে একসময় ছিড়ে যায়। তারপর বৈবাহিক সূত্রে শুরু হয় আর এক বৃত্ত। এ বৃত্তটা অনেক বড়। স্বামী পুরুষটির ছেঁড়া এ বৃত্তটি গোছাতে গোছাতে, অর্থাৎ( দ্বায়িত্ব পালন, স্বামী পুরুষটির [বিস্তারিত]

কাৎস্য কন্ঠের বিষ

 লিখেছেন on এপ্রিল ১৭, ২০১৭ at ৮:২৬ অপরাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  ২৫ Responses &#১৮৭;
এপ্রিল ১৭২০১৭
 

গ্রীষ্মের খরতাপের তপ্ত দুপুরেও কারো কাৎস্য কন্ঠের বিষ আমাকে আর স্পর্শ করে না। কারণ, আজ আমার ভিতরে বাস করে হাওয়ায় ভেসে আসা এক সমধুর সুরের ভান্ডার। তাই চেয়ে দেখ, নিরুদ্ধিগ্ন ও নির্বিকার এ মুখ আমার। ব্যাথায় কুঁকড়ে থাকা যে মুখটি দেখে তোমার পুরুষালী ইগো গর্বে ফুলে উঠতো, সে মুখেই আজ দ্বীপ্ত দেখ। তাই আজ বড় [বিস্তারিত]