সিএনজি ভয়ংকরী

 লিখেছেন on অক্টোবর ৪, ২০১৭ at ৬:৫৪ অপরাহ্ন  সমসাময়িক  Add comments
অক্টো. ০৪২০১৭
 

 

 

নামেই একটা কিছু, যেন শাঁখেরকরাত, যেতেও কাটে, আসতেও কাটে, আজকাল ঢাকা শহরে কোথাও সিএনজিতে যেতে হবে শুনলেই আৎকে উঠতে হয়, যেন যম দেখেছি।
এই ভাই যাবেন?
কই যাইবেন?
উত্তরা।
৫০০ ট্যাহা।
মাথা ঘুরে উঠলো, যেন পৃথিবী ঘুরছে, ধাতস্থ হয়ে বললাম, ভাই মিটারে তো ১৮০/২০০ টাকা হয়, ৫০০ চান কেন?
ওই ব্যাটার মুখে রা নেই, ম্যাচের কাঠি দিয়ে শুধুই দাঁত খোঁচায়, ইচ্ছে করে ঠাটিয়ে চড় মারি।
বেশিরভাগ সময় তো গন্তব্য স্থানের নাম শুনেই বলে দেয় যাবেনা, কেন যাবেনা, তার কোন উত্তর নেই,মরণাপন্ন রুগী হলেও নেবেনা, কারণ সেই যেন রাস্তার রাজা।

এহেন সিএনজির বয়স শেষ হতে চলেছে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী পনের বছর বয়স হলে সিএনজির টাইম শেষ, এই গাড়ী আর মেট্রোপলিটন এলাকায় চালানো যাবেনা, কারণ এই সিএনজির বয়স যত বাড়ে, ততই পলিউশন করে, জন স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর।
এরোই সরকার ভাই, এই গাড়ীর মালিক আর ড্রাইভার তো আরো ডেঞ্জারাস, এরা মানুষকে হার্ট এটাক দেয়, কারেন্টের শক দেয় বিনা বিদ্যুতে, বুক ধড়ফড় করায়, মাথা ব্যাথা বাড়িয়ে দেয়, এরা প্রতি বছর সরকার ও জনগণকে জিম্মি করে আন্দোলন করে, এরা জঙ্গিদের চাইতে কম ডেঞ্জারাস না।
জঙ্গিদের তো আপনারা বিচারের আওতায় আনতে পারবেন, ক্রসফায়ার করতে পারবেন কিন্তু সিএনজি ওয়ালাদের, উঁহু সম্ভব না।

সুতরাং দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই সংঘবদ্ধ চক্রকে রুখে দেওয়ার এখনই সময়, এদের সময় না বাড়িয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এদের গাড়ী বাজেয়াপ্ত করে ফেলুন, দরকার হলে উবার, গ্রেবকার, পাঠাও, এইসব সফটওয়্যার ব্যবহৃত গাড়ীর ব্যাপক প্রচলন শুরু করুন, এতে শুধু জনগণ নয়, সরকারও উপকৃত হবে।।

  ২০টি মন্তব্য, “সিএনজি ভয়ংকরী”

    
  1. ” সরকারের নিয়ম অনুযায়ী পনের বছর বয়স হলে সিএনজির টাইম শেষ, এই গাড়ী আর মেট্রোপলিটন এলাকায় চালানো যাবেনা। ”
    হা হা হা , হাসালেন ভাই। কে দেখবে কোন সিএনজির বয়স কত? তারা যদি ঠিক মত দেখতোই তবে সিএনজি মিটার ছাড়া চলতে পারে? নিয়মে আছে, আপনি খালি সিএনজি দেখে হাত তুলবেন, সিএনজি ড্রাইভার প্রশ্ন করবেনা আপনি কই যাবেন। আপনি সিটে বসে বলবেন গন্তব্যের কথা। সিএনজি বা ট্যাক্সি ক্যাব যেতে বাধ্য। পালন করা হয় না কেন এই নিয়ম? এরাই তো দেখবে সিএনজির বয়স।

    অসহ্য লাগে সিএনজির অত্যাচার।
    বর্তমানে আমি উবারে চলি, এটিতেও কিছু সমস্যা লক্ষ করছি ইদানিং।

  2. 
  3. সিএনজি চড়তে আমি খুব ভয় পাই। দেশে গিয়ে দুইবার সিএনজি চড়েছি, তাও বাধ্য হয়ে।
    বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন হয়, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়না।
    তাই ভাইয়া নিশ্চিন্তে থাকুন সিএনজি যথানিয়মে চলতেই থাকবে। বরং তাদের দৌরাত্ম্য আরোও বৃদ্ধি পাবে।
    আমাদের পুলিশ মামুরা আছেনা? সিএনজি না থাকলে তাদের পকেট ভরবে কীভাবে? :D

  4. 
  5. কি কইতাম কউনের ভাষা নাই। এদের দেখার কেউ নায় এরাই রাস্তার রাজা ঠিক কইছেন।

    জিসান ভাইয়ার সাথে একমত। কে দেখবে????????

  6. 
  7. আসলেই এরা রাস্তার রাজা মনে করে নিজেদের :@

  8. 
  9. আসলেই সি এন জি ওলাদের নিয়ে আমরা বেশ ভোগান্তিতে পড়ি আবার মেজাজ তখনি খারাপ হয় ওমক জায়গায় যাবো ওমক জায়গায় যাবো না।তখন মনে হয় দেই একটা বেটারে। -{@

  10. 
  11. সুন্দর একটি পোষ্ট। সি এন জি তাও তো একটু সহনশীল ভাইজু। কিন্তুু ভটভটি তো আরো ভয়ঙ্কর। ঢাকাতে সি এন জিগুলোর ড্রাইভাররা তো মাস্তান। একবার মেমন সোনা ছোটো, বাচ্চাটা আমার অসুস্থ একটা সি এন জি দাঁড় করালাম কিন্তুু সে যাবে না। অনুরোধ করলাম বচ্চাটা অসুস্থ। তাও শুনছিলো না। উনি তখন ধানমন্ডিতে ছিলেন। আর যাবে কোথায়! ও বলল, চল তুই কোথায় যাবি সেখানে যাবো। আমাকে ফোন করে অফিসের গাড়িতে পেডিহোপ ক্লিনিকে পাঠিয়ে দিলো। সি এন জি আলা তখনও বোঝেনি, উল্টা বলছে, চল তোকে সি এনজি স্টানে নিয়ে মজা দেখাবো। পরে ঐ সি এন জি সহ ড্রাইভার থানাতে। সত্যিই এরা রোডের মাস্তান। আবার ভালোও আছে। তবে সংখ্যায় তা কম।

  12. 
  13. দাদা আপনার সিএনজি বিষয়ক লেখনী খুবই গুরুত্ববহন করে। আমাদের দেশে সময় অসময় আইন সংশোধন করা হত ঠিক, কিন্তু বাস্তবায়নের বেলায় জিরে পয়েন্ট।
    এদের রুখবে যে? এদের এহেন আচরণ ও একগুঁয়েমিতেও কেউ প্রতিবাদ করে না। বরং সবাই তাকিয়ে দেখে। এ বিষয়ে সড়কমন্ত্রীর একটু নজর দেওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।
    ধন্যবাদ দাদা, লেখাটা ভালো লেগেছে।এমন আরও লিখুন।

  14. 
  15. এরা এতোবেশি ডেঞ্জারাজ, কারন মানুষ তাদের হাতে জিম্মি। ঢাকা শহরের এই এতো নিরুপায় মানুষদের অলটারনেটিভ পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি না করা পর্যন্ত এদের এই হিংস্রতা বন্ধ হবেনা। এ কাজে জনগন নয় বরং সবার আগে সরকারকে দৃষ্টি দিতে হবে।
    বাসের সংখ্যা কমিয়ে যদি প্রত্যেক পনেরো মিনিট অন্তর বাস ছাড়বার ব্যবস্থা করতো, এই যানজট সমস্যা ও সিএনজির উপর নির্ভরশীলতা কমতো। ভালো পোস্ট ভাইয়া।