সামরাফিল(পর্ব-১)

 লিখেছেন on ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ at ৫:২৫ অপরাহ্ন  গল্প, সাহিত্য  Add comments
ডিসে. ২৮২০১৭
 

(অনেক দিন পরে আসলাম সোনেলা তে , তবে এখন থেকে ইনশাল্লাহ নিয়মিত হব সেটা বলতে পারি , আর এই অসাধারণ ব্লগটাতে সবার সাথে মতবিনিময় ও চলবে , এখন একটি নতুন ধারাবাহিক নিয়ে হাজির হলাম , তবে দ্যা সি-পিপল ও খুব দ্রুত ফিরে আসবে এটা বলতে পারি ।)

প্রথমাংশ
১ম অধ্যায়ঃ জীবন ও মৃত্যু
এই পৃথিবী একটা অসীম সাগরে নিমজ্জিত বুদবুদ এর মত , কোনভাবে এটি যেন নিজেকে টিকিয়ে রেখেছে , এই নীলাভ সাদা একটা গোলক এর মাঝে , আর এর চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসীম অনন্ত রহস্য মালা , যেমন এই ক্ষুদ্র গোলক এর মাঝে অস্তায়মান সূর্য যেদিকে অবতীর্ণ সেই ছায়াবৃত্তে , সন্ধ্যা নামছে আর-
সাঝ এর অন্ধকারে , দুইটা ভীত চোখ মেলে বসে আছে আরুশা , কারো জীবন যে চলমান দুঃস্বপ্ন হতে পারে সেটা এমনিতে কল্পনা করাও কঠিন , কিন্ত আরুশার মনে হয় , তার জীবন গত পাঁচ বছর ধরে আটকে আছে কোন এক দুঃস্বপ্নের চাদর এর ভিতরে । প্রতিদিন যেখান থেকে পালাবার চেষ্টা করে সে কিন্ত তার কাছে লাগে গোলকধাঁধা এর মত শরীর টা একটা গোলোক ধাঁধা , আত্না টা একটা গোলক ধাঁধা , যেন এই শরীর ছেড়ে সে পালাতে পারলে বাঁচে , মনের মাঝে অসীম জোর না থাকলে হয়ত একদিন একদিন করে সে এই জীবন টা বাঁচতে পারত না , যদিও সে অনন্য সুন্দর একটা সাধারণ মেয়ে , বেডফোর্ড এতিমখানায় জন্ম থেকে আছে , তিনকূলে কেউ আছে বলে সে জানে না , যদিও তার খরচ থেকে সবকিছুই এতিম খানা থেকে আসে না এটাও জানে সে , কে দেয় , এটা তার আরও একটি বড় প্রশ্ন , মাদার সুপিরিয়র তাকে বলেছিলেন , সে এটা পাবে তার জীবনের প্রথম ধাপ পার করার পড়ে , গত পাঁচ বছর চুপচাপ একেবারেই , কারো সাথে তেমন কথা না বলা মানুষ সে , গত ১৭ টা বছর এখানেই আছে , এত বছর যাবত কারো এখানে থাকার বিধান নেই , কিন্ত এই মেয়েটার মধ্যে সাংঘাতিক ভয় কাতুরে হবার রেকর্ড এর কারণে তাকে বাইরে পাঠায় নি , এই কারণে তাকে এখানে কেয়ারটেকার হিসেবে রেখে দিয়েছে এতিমখানা এর কতৃপক্ষ ।
এক তুমুল বর্ষণ এর রাতে একে কুড়িয়ে পান এতিমখানার গভর্নেস মিসেস লরা, নিঃসন্তান আর বিধবা এই নারীর কাছেই সে মানুষ হয়েছে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত, তিনি হয়ত তিনি জানতেন সে কার মেয়ে তবে কোন এক অজানা কারণে সেটা সম্পর্কে কিছুই বলেননি , আরুশা বেশী জিজ্ঞেস করলে পারে একটা বাস্কেট দেখাতেন , যেটাতে করে সে এসেছে , অনেকটা মুসা নবী বা সারগন এর মত ,আরুশা জানত এটা একটা বানানো গল্প তবে সে প্রশ্ন করেনি , কেননা তার মাঝে , তার নিজের দিকে হাত বাড়ানো এক অজানা জগৎ এর হাতছানি সে আগে থেকেই অনুভব করতে পারত ।
তবে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত সে বেশ হাসিখুশি একটা মেয়ে ছিল , যেদিন রাত্রে মিসেস লরা মারা যান , সেদিন রাত থেকেই তার জীবনে শুরু হয় আরেকটা অধ্যায় , দুঃস্বপ্নের অধ্যায় , সেটা হোক জেগে জেগে বা হোক ঘুমিয়ে ,
যেদিন তার লরা আন্টি মারা যান , সেদিন তার স্পষ্ট মনে আছে , সাধারণত যারা পালন করেন , তারা বাবা মা বলেই পরিচিত করেন নিজেকে সেই ছেলে মেয়ের কাছে , তবে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম , প্রথম থেকেই তিনি তাকে জানিয়ে দিয়েছিলেন , আরুশা তার কন্যা না , এরপরেও আরুশা কে তিনি তার খৃস্টমত অনুযায়ী বড় করেননি করেছেন মুসলিম মত অনুযায়ী , কি কারণে এটা করেছেন , সেটা জিজ্ঞেস করলেও উত্তর দিতেন না ।
তবে আরুশা এর উত্তর কখনও খুঁজতে যায়নি ।
তবে তার এই বিশ্বাস বদ্ধমুল হয় যেদিন মিসেস লরা মৃত্যুশয্যায় ,
তার ধুসর চোখ দুইটাতে মৃত্যুর ছায়া ফুটে আছে , তিনি কাঁচের মত দৃষ্টি দিয়ে দেখছেন , আরুশা কে , এর মাঝেই অস্পষ্ট ভাষাতে যেন কিছু বলতে চাইছেন তিনি , আরুশা তার কাছে কান নিয়ে যেতেই তিনি , বললেন
“তোমার জন্মের রহস্য , তোমাকে কিছুই বলতে পারিনি , আমাকে ক্ষমা কর ইয়াং ম্যাজেস্টি , তবে তুমি যখন বড় হবে , তোমার আঠারতম জন্মবার্ষিকী এর আগে তুমি একটা উপহারে জানতে … জানতে পারবে , তবে এর আগে তোমার জন্য পরীক্ষা…… অনেক পরীক্ষা …… ‘’ অনেক কষ্ট করে টেনে টেনে কথাগুলো বলছিলেন লরা তবে তিনি কথা শেষ করতে পারেননি ।
সেদিন রাত্রে সেমেটারি থেকে সবার পিছে ফিরে আসার সময় থেকেই তার গা ছম ছম করছিল , ঘোলাটে চাঁদ এর নিচে বাদুড় এর কিচকিচ আর নিশাচর পাখির ডানা ঝাপটে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই শুনতে পারেনি সে , তবে তার মনে হচ্ছিল এক অদ্ভুত অনুভূতি , যেন তার ভেতরে একটা আলাদা জগত এর পথ ধীরে ধীরে উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে , একটু বেশী সময় লাগিয়ে দিয়েছিল সে তার কবর এর পাশে ।
সেটা কেন হয়েছিল , সেটা সে সেদিন রাত্রেই বুঝতে পারে , এতিম খানা তে পৌঁছে যাবার পরে সে দেখে , এতিমখানা টা একেবারেই অন্ধকার , এটা একেবারেই স্বাভাবিক না , কেননা এখানে বিদ্যুৎ যায় না , আর কোন কারণে এটা হবে সেটাও সে জানে না , এরকম কোন পার্টি বা অন্যকিছু এখানে হয় না ।
সেই অন্ধকার এর মাঝে , সে মিঃ মারফি এর ডেস্ক কে পার হয়ে আসে , মিঃ মারফি এখানে রিসেপশন টা দেখেন , তবে সেখানে মিঃ মারফি ছিলেন না , কেউই ছিল না । সমস্ত এতিমখানা তেই কেউ ছিল না ।
এটা খুবই অস্বাভাবিক একটা বিষয় ছিল আরুশা এর জন্য , সে সারা রাত ই একদিক থেকে আরেকদিকে যেতে থাকে , একের পর এক কামরা তে খোঁজ নেয় , যেন একরাতে এই এতিমখানা টা শুন্য হয়ে গেছে , আর এর বয়স বেড়ে গেছে অনেক অনেক বছর , একটা সোঁদা গন্ধ সমস্ত ঘর জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে , ছুটে বাইরে বের হয়ে আসে সে ।
শুধু এতিমখানা টাই না , সামনের রাস্তা তেও কারো অস্তিত্ব আছে বলে মনে হচ্ছে না , এমনকি যাদের সাথে সে ফিরে গিয়েছিল তাদের ও অস্তিত্ব নেই ।
এটা স্নায়ুর উপরে এক ভয়াবহ চাপ ফেলে , কেননা , সে অনুভব করছিল , একা হয়েও সে একা নয় , তার আশেপাশে শত শত ছায়ারা যেন নেচে চলেছে , কোন এক অজানা জিনিস এর অস্তিত্ব যেন আছে , সে যেন সহসা সমস্ত পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে , এক সময়ে সে আর নিজেকে খুঁজে পায় না , যেন তার নিজেরও কোন অস্তিত্ব নেই , তার চেতনাও লুপ্ত হয়ে যায় ।
এর মাঝেই সকাল হয় , সকালে সে নিজেকে তার কামরা তে আবিস্কার করে , সবাই একই রকম ভাবে ফিরে এসেছে , বাচ্চাদের কোলাহল শোনা যাচ্ছে , লালমুখো মিসেস হারবি তার রেজিস্টারে দিনের সব সদাইপাতি এর হিসেব নিচ্ছেন , ফাদার , সকাল এর সেরমন এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন ,
সে মনে করে এটা মেইবি তার স্বপ্ন ছিল ।
তবে সেদিন সন্ধ্যা এর সময় যেন অনেক তাড়াতাড়ি অন্ধকার হয়ে যায় ,সে যখন বসে আছে , তখন তার রুম এর আলো কাঁপতে কাঁপতে অদৃশ্য হয়ে যায় , আর অন্ধকার হয়ে যায় ,
সেই আঁধার এর মাঝেই সে লক্ষ্য করে , এতিমখানার আশে পাশে যেন কোন মানুষ এর অস্তিত্ব আর নেই , সবাই কোন অন্য কিছু হয়ে গেছে , তার বান্ধবি মিনারভা যখন তার দরজা খুলে আসে , সে তাকে দেখে আঁতকে উঠে , যেন নরক এর গহীন থেকে উঠে আসা কোন নারী কে দেখতে পাচ্ছে সে , সে চিৎকার করে বাইরে আসতে চেষ্টা করে , এসেই সবথেকে বড় ভুল টা করে , আশেপাশের সবাই , ঠিক এই রকম এর চেহারা নিয়েই তার দিকে স্লো-মোশন এ তাকায় ।
সবার চেহারা আগ্নেয় শিলা কুঁদে বানানো যেন , অনেকগুলো চোখ সেই দেহে , সেটা সবদিকে ছুটে চলেছে ,
তার দেহ ঝটকা দিয়ে উঠে অজ্ঞান হয়ে যায় ,
এরপর থেকেই প্রতি সন্ধ্যার পরেই এটা শুরু হয় তার সাথে ।
আকাশ চুম্বী মেঘের তৈরি মূর্তিরা যেন তাকে আকাশ থেকে হাত বাড়িয়ে ধরতে চেষ্টা করত , যেন তাদের অনেক ক্ষিদে তাকে পেলে সেটা মিটবে তাদের । তাদের সমসত আকাশ জুড়ে আগ্নেয় দাঁত এর হাসিতে ভরে যেত , সে আরও দেখতে পেত এক গামলা রক্ত তার নিকটে যেন কেউ ঠেলে দিচ্ছে , সেই রক্ত দিয়ে ইবাদত করার কথা বলছে , এতে নাকি তার মুক্তি মিলবে , সে একমনে আল্লাহর নাম জপত সেই দুর্যোগ এর মাঝে , তবে তার ডাক আল্লাহ শুনতেন অনেক দেরি করে । তার জ্ঞান হারিয়ে ফেলত সে
কখনও কখনও রাতের বেলা , সে যদি জেগে যেত , সে দেখতে পেত তার রুমের পাশে একটা জলাভুমি , সেখানে বিশাল বিশাল কোন ধরণ এর মানবজাতীয় প্রাণী বসে আছে , সেখানে তাদের কোলে বাচ্চারা হাউমাউ করছে , তাদের আকার ও অনেক বড় ।
সে হয়ত পাগল হয়ে যেত , তাকে সেই সপ্তাহেই ডাক্তার কে দেখানো হয় ।
তিনি চেক করে বলে হ্যলুসিনেশন হচ্ছে তার , উত্তপ্ত মস্তিস্কের কল্পনা , একা জীবন মেনে নিতে পারছে না সে, তাকে পরিচিত পরিস্থিতি এর বাইরে না নিয়ে যেতে বলেন । ওষুধ খেয়ে সে দিনের বেলাতে ঘোর লাগা হয়ে যেত , আর রাতের বেলাতে একটা চোখের পাতাও এক করতে পারত না ।
তবে তাকে পাগল হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচান , স্রস্টা নিজেই যেন ।
একদিন সাপ্তাহিক বাজার এর জন্য বাইরে গিয়েছিল সে , সেখান সে মনমরা হয়ে ঘুরছিল , কেননা সে আজকাল সে রাতে ঘুমাতেই পারে না তেমন একটা ।
তবে এই পরিস্থিতিতেও সে কাজ করেই যেত ।
এর মাঝেই সন্ধ্যা লেগে যায় , আর সেইদিন প্রথমবার এর মত সে , খোলা আকাশ এর নিচে সেই বিভীষিকাগুলোর সম্মুখীন হয় , তার হৃদপিণ্ড যেন বুকের খাঁচা ছেড়ে দৌড় দিবে বলে মনে হয় তার, সবকিছু হাতের ফেলে দিয়ে সে ছুটতে শুরু করে , তার পিছনে যেন শতশত ছায়া তাড়া করে আসছে ।
ছুটতে ছুটতে একটা মসজিদ এর সামনে এসে দাঁড়ায় সে , আলু থালু বেশে
সে আর নিতে পারছিল না সে কন রকমে মসজিদ এর আঙ্গিনাতক প্রবেশ করে জ্ঞান হারিয়ে গেলে , সে সেটার শীতল ছায়াতে বসে পড়ে , অনেক দিন পরে তার ঘুম আসতে শুরু করে যেন , প্রায় ১০ দিন যাবত সে ঘুমাতে পারে না ।
সেই মসজিদ , এর ইমাম সাহেব বাইরে থেকে আসছিলেন সেই সময় । তার মসজিদ এর সামনে পরীর মত সুন্দর একটা অসহায় মেয়ে অজ্ঞান হয়ে আছে এটা দেখে তিনি অবাক হন ।
ডাক্তার এর কাছে পৌঁছে দেন তিনি তাকে ,তার চোখ দেখে কোন এক অজানা উপায়ে যেন তিনি তার মন এর কথা পড়ে ফেলেন যদিও তিনি কোন কথা বলেননি তার সাথে ,তবে তিনি তাকে আসতে বলেন , বিকেলে তার বাসাতে ।
আরুশা বিকেলে তার বাসাতে গেলে , তার স্ত্রী তাকে ভেতরে নিয়ে যান ,
“আমি কি মানসিক রোগী ??” প্রথম কথাটা এটাই সে বলে
“খোদার দুনিয়াতে এই মানসিক আর শারীরিক বিষয় এর বাইরেও আরও অনেক কিছু আছে মা , তুমি তোমার এই জীবনে এক পরীক্ষার সম্মুখে আছো , কোন খারাপ কাজ না করলে পারে একদিন তুমি এর প্রতিদান পাবে… আর খুব শীঘ্রই জানতে পারবে , তুমি কেন এগুলো দেখ”
, তাদের কাছ থেকে একটা সোনালী বই , একটা জায়নামায , আর নিয়ে আসে ইসলাম এর প্র্যাকটিশনাল শিক্ষা সে ।
তাকে বলে দেন তারা , সে যে ধর্মের শুভ প্রভাব এ জন্ম নিয়েছে তার মাধ্যমেই সে পারবে , এর সাথে লড়তে ।
এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে সে যেত তাদের কাছে শুক্রবার করে । এবং শুনত তাদের কথা , তাদের তালিম ।
এরপর থেকে , প্রতি সন্ধ্যাতে সে , জায়নামায বিছিয়ে অযু করে বসে পড়ত সেটাতে , সারা রাত এর যতক্ষন পারত যিকির করত আর আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইত আর পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করত , তার এই নতুন ধর্মীয় জীবন কে কেউ খারাপ চোখে দেখেনি ,
রক্তের সেই গামলা টা , এসে তার জায়নামায এর সামনে স্থির হয়ে থাকত , সমস্ত বিশ্ব জুড়ে ক্রুর সব অশুভ সত্ত্বা দাপিয়ে বেড়াত , তবে তার দিকে হাত বাড়াতে পারত না ।
আর এভাবেই সেই মাঝরাত এর পরে ঘুমিয়ে পড়ত মুছলা এর উপরেই ।
এভাবেই পাঁচ বছর কেটে যায় তার জীবন এর ।
তার জন্মদিন , এর আগের দিন সকালে তার এতিমখানা এর সামনে দাঁড়ায় , একটা সাদা রঙ এর বিএমডাব্লিউ , সেখান থেকে বের হয়ে আসেন কালো চশমা পড়া এক ব্যক্তি , তার পরনে প্রিন্সকোট , রঙ শ্যমলা তার , বেশ দশাসই চেহারা এর অধিকারী বোঝায় যাচ্ছে তার নিবাস লন্ডন না ।
তার সাথে নামেন তাদের সেই ইমাম সাহেব , আর তার স্ত্রী ।

  ৩টি মন্তব্য, “সামরাফিল(পর্ব-১)”

    
  1. ভাল লাগলো হাসান ভাই। একদিনে পড়তে পারিনি দুইদিনে পড়লাম। ধর্মীয় শাসন অনেক আপদ-বিপদ ও জীবন চলার পথ হয়।

  2.